1. admin@bengalexclusive.com : admin :
  2. bibhas@sudhankarwinner.com : BIBHAS DUTTA : BIBHAS DUTTA
  3. sasanka@bengalexclusive.com : Sasanka Paul : Sasanka Paul
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তৃণমূলে দলবদলু দের ভবিষ্যত নির্ধারণ আজ ! বং গাই বনাম সিনেবাপ্, দুই নামি ইউটিউবারের বিবাদ নিয়ে জলঘোলা নেট দুনিয়ায় তৃণমূল-বিজেপি উভয়েরই চিন্তা বাড়াচ্ছে লাভপুরের মনিরুল উন্নাও ধর্ষণ মামলার কুখ্যাত অপরাধী কুলদীপের স্ত্রী এবার বিজেপির প্রার্থী পাড়ার ঝগড়ুটে মহিলাদের এনে বুথ এজেন্ট করতে চান মমতা “ভোটের আগে হাতে চাই, লকডাউনের ভরপাই!”রাজ্যের ক্ষতিগ্রস্ত গরীব পরিবারের সাথে লাগাতার লড়াইয়ে পিপলস ব্রিগেড ২৩০ টা আসনে জিততে হবে তৃণমূলকে, নাহলে বিজেপি বিধায়ক কিনে নেবে! বললেন মমতা কাল ভোট দিয়ে আজ গ্রেফতার ছত্রধর ! কোথাও হোলিতে পেটানো হয় পুরুষ!কোথাও কাঁধে চড়ে ভাঙা হয় দইএর হাঁড়ি!দেখুন নানা অঞ্চলের হোলির রূপ বিজেপি প্রার্থীকে “ধর্ষকের ভাইপো ” বানালেন এলাকার বিজেপি কর্মীরা

Google Ads

ছাত্রের থিসিস চুরি করা শিক্ষকই আজ শিক্ষক দিবসের মুখ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৫১ বার পঠিত

৫ ই সেপ্টেম্বর। সারা ভারতে এই দিনটি শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়। কিন্তু যে ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের স্মৃতিতে আমরা এই দিনটিতে শিক্ষক দের আরো একটু কাছ থেকে দেখতে চাই, পাঠকেরা জানলে অবাক হবেন, সেই একদা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাধাকৃষ্ণণ তাঁর একদা ছাত্র বিখ্যাত বাঙালী দার্শনিক তথা লেখক যদুনাথ সিংহের(১৮৯২-১৯৭৮) থিসিস চুরি করেছিলেন। আর এ চুরিও যেমন তেমন চুরি ছিলো না। এ চুরিই তাঁর আজ যাবতীয় প্রসিদ্ধির কারণ।
ঘটনাটি ঠিক কি ঘটেছিলো? জানা যায়, যে দুই খণ্ডের ইন্ডিয়ান ফিলোজফির জন্য তিনি সারা ভারতে এতো সম্মান আর শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন সেই বই নাকি তিনি যদুনাথ সিংহের একটি থিসিস থেকে টুকেছিলেন। যদুনাথ এম. এ পাশ করার পর তাঁর গবেষণাপত্র “ইন্ডিয়ান সাইকোলজি অফ পারসেপশন” এর প্রথম খণ্ড ১৯২২ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২৩ সালে প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তির আবেদনের জন্য জমা দিয়েছিলেন। জানা গেছে এই বইটির দ্বিতীয় খণ্ড থেকেই রাধাকৃষ্ণণ অনেকটা নকল করে গ্রন্থাকারে লন্ডন থেকে ১৯২৭ সালে প্রকাশ করে দেন। তিনি সেই গ্রন্থের নাম রেখেছিলেন ‘ইন্ডিয়ান ফিলোজফি’। পরে ১৯২৮ সালে রাধাকৃষ্ণণ ওই ইন্ডিয়ান ফিলোজফি বইটির অষ্টম ও নবম খণ্ড টি আলাদা করে “দ্য বেদান্ত অ্যাকর্ডিং টু শংকর অ্যান্ড রামানুজ” নামে প্রকাশ করেন। যদুনাথের চোখে বইটি পড়ে আরো পরে ১৯২৯ সালে। তিনি রাধাকৃষ্ণণের সেই চাতুরী ধরতে পারার পর ১৯২৯ সালের ২২ শে আগস্ট কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। এই মামলার নানাবিধ ক্ষেত্রে যদুনাথ কে সহায়তা করেন তাঁর বন্ধুস্থানীয় তৎকালীন “প্রবাসী” ও “মডার্ন রিভিউ” পত্রিকার সম্পাদক রামানন্দ মুখোপাধ্যায়। জানা যায় মামলাটি একটি আউট অফ সেটেলমেন্ট এর পর তুলে নেওয়া হয়। অনেকের মতে তৎকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় যদুনাথের ওপর মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
যদুনাথ তাঁর কর্মজীবনে দুর্দান্ত কাজের জন্য বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তিনি ১৯১৫ – ১৬ সালে ক্লিন্ট মেমোরিয়াল ও ফিলিপ স্মিথ পুরস্কার পান। ১৯২৩ এ গ্রিফিথ ও ‘২৪ এ মোয়াট পুরস্কারে ভূষিত হন।
বাঙালির প্রাপ্য সম্মান কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ইতিহাসে বহু আছে। ভারতের ইতিহাস কে গরিমামাখা এক স্বর্নসময় দেখানোর জন্য অনেক ক্ষেত্রেই আসল ইতিহাসের ঠিকানা আমরা পাই না। তবে অতীতের সমস্ত ভুলই একদিন আমাদের সামনে স্বমহিমায় উপস্থিত হবে এই আশাটুকু থেকেই যায়।

প্রতিবেদনে-অনির্বান

Google Ads

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

Google Ads

© All rights reserved © 2020 bengalexclusive.com
Theme Customized By BreakingNews