1. admin@bengalexclusive.com : admin :
  2. bibhas@sudhankarwinner.com : BIBHAS DUTTA : BIBHAS DUTTA
  3. sasanka@bengalexclusive.com : Sasanka Paul : Sasanka Paul
রবিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২০, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গৌরাঙ্গ সেতু টোল প্লাজায় বেআইনি ভাবে অত্যাধিক বেশি টোল ট্যাক্স নেবার অভিযোগ!নীরব প্রশাসন দিয়েগোর হঠাৎ মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বিশ্ব উচ্ছেদ করতে চায় স্থানীয় দাদারা!বিপাকে সিউড়ির তালতলা পতিতা পল্লীর পতিতারা যোগী রাজ্যে একশো বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ!তিনবছর পর অপরাধীকে ২৫০০০টাকা জরিমানা কোর্টের ইকবাল পুর হত্যা কাণ্ডে নতুন মোড়!উঠে আসলো বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কর কথাও এবার গবেষণায় উঠে আসলো হুইস্কি খাবার হাজারো সুফল! জেনে নিন কি কি স্ত্রীর ধর্ষণের প্রতিশোধ নিতে বন্দুকের গুলি কিনতে গিয়ে ধৃত স্বামী! এবার ফেলুদার ফেসবুক একাউন্টেই কুরুচিকর পোস্ট! রাজ্য বিজেপিতে আবারও চাগাড় দিচ্ছে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব!ঝক্কি পোহাতে হলো কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বিজেপিতে গিয়ে নিস্তার নেই মুকুলের!আবারও সম্পত্তির হিসেব চাইলো ই ডি

Google Ads

ছাত্রের থিসিস চুরি করা শিক্ষকই আজ শিক্ষক দিবসের মুখ

  • আপডেট সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৭৬ বার পঠিত

৫ ই সেপ্টেম্বর। সারা ভারতে এই দিনটি শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়। কিন্তু যে ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের স্মৃতিতে আমরা এই দিনটিতে শিক্ষক দের আরো একটু কাছ থেকে দেখতে চাই, পাঠকেরা জানলে অবাক হবেন, সেই একদা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাধাকৃষ্ণণ তাঁর একদা ছাত্র বিখ্যাত বাঙালী দার্শনিক তথা লেখক যদুনাথ সিংহের(১৮৯২-১৯৭৮) থিসিস চুরি করেছিলেন। আর এ চুরিও যেমন তেমন চুরি ছিলো না। এ চুরিই তাঁর আজ যাবতীয় প্রসিদ্ধির কারণ।
ঘটনাটি ঠিক কি ঘটেছিলো? জানা যায়, যে দুই খণ্ডের ইন্ডিয়ান ফিলোজফির জন্য তিনি সারা ভারতে এতো সম্মান আর শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন সেই বই নাকি তিনি যদুনাথ সিংহের একটি থিসিস থেকে টুকেছিলেন। যদুনাথ এম. এ পাশ করার পর তাঁর গবেষণাপত্র “ইন্ডিয়ান সাইকোলজি অফ পারসেপশন” এর প্রথম খণ্ড ১৯২২ সালে এবং দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২৩ সালে প্রেমচাঁদ রায়চাঁদ বৃত্তির আবেদনের জন্য জমা দিয়েছিলেন। জানা গেছে এই বইটির দ্বিতীয় খণ্ড থেকেই রাধাকৃষ্ণণ অনেকটা নকল করে গ্রন্থাকারে লন্ডন থেকে ১৯২৭ সালে প্রকাশ করে দেন। তিনি সেই গ্রন্থের নাম রেখেছিলেন ‘ইন্ডিয়ান ফিলোজফি’। পরে ১৯২৮ সালে রাধাকৃষ্ণণ ওই ইন্ডিয়ান ফিলোজফি বইটির অষ্টম ও নবম খণ্ড টি আলাদা করে “দ্য বেদান্ত অ্যাকর্ডিং টু শংকর অ্যান্ড রামানুজ” নামে প্রকাশ করেন। যদুনাথের চোখে বইটি পড়ে আরো পরে ১৯২৯ সালে। তিনি রাধাকৃষ্ণণের সেই চাতুরী ধরতে পারার পর ১৯২৯ সালের ২২ শে আগস্ট কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন। এই মামলার নানাবিধ ক্ষেত্রে যদুনাথ কে সহায়তা করেন তাঁর বন্ধুস্থানীয় তৎকালীন “প্রবাসী” ও “মডার্ন রিভিউ” পত্রিকার সম্পাদক রামানন্দ মুখোপাধ্যায়। জানা যায় মামলাটি একটি আউট অফ সেটেলমেন্ট এর পর তুলে নেওয়া হয়। অনেকের মতে তৎকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় যদুনাথের ওপর মামলাটি তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন।
যদুনাথ তাঁর কর্মজীবনে দুর্দান্ত কাজের জন্য বহু সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। তিনি ১৯১৫ – ১৬ সালে ক্লিন্ট মেমোরিয়াল ও ফিলিপ স্মিথ পুরস্কার পান। ১৯২৩ এ গ্রিফিথ ও ‘২৪ এ মোয়াট পুরস্কারে ভূষিত হন।
বাঙালির প্রাপ্য সম্মান কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ইতিহাসে বহু আছে। ভারতের ইতিহাস কে গরিমামাখা এক স্বর্নসময় দেখানোর জন্য অনেক ক্ষেত্রেই আসল ইতিহাসের ঠিকানা আমরা পাই না। তবে অতীতের সমস্ত ভুলই একদিন আমাদের সামনে স্বমহিমায় উপস্থিত হবে এই আশাটুকু থেকেই যায়।

প্রতিবেদনে-অনির্বান

Google Ads

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

Google Ads

© All rights reserved © 2020 bengalexclusive.com
Theme Customized By BreakingNews